নতুন ওয়েবসাইটের জন্য সহজ আটটি ব্যাকলিংক তৈরি করার উপায়

  • by
ব্যাকলিংক তৈরি করার উপায়

ব্যাকলিংক কোনও ওয়েবসাইটের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পেইজ র‍্যাংক সিগন্যাল। নিচে আমরা ব্যাকলিংক তৈরি করার ৮টি সহজ উপায় নিয়ে আলোচনা করবো। একসময় পেজ র‍্যাঙ্ক ১ বা এর বেশী হওয়াকে সার্চ ইঞ্জিন র‍্যাঙ্কিয়ের অন্যতম সূচক বলে ভাবা হতো। সময় এবং সার্চ ইঞ্জিন এলগরিদমের পরিবর্তনের সাথে সাথে এই ধারনাটা অনেকটাই বদলে গেছে। এখন কোনও ওয়েবসাইটের র‍্যাঙ্কিয়ের জন্য অনেকগুলো বিষয় দেখা হয়। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছেঃ

১। মোবাইলের উপযোগী হওয়া।

২। ওয়েবসাইটটি দ্রুত ডাইনলোড হওয়া।

৩। কনেন্টের শব্দের পরিমান ১২০০ থেকে ২০০০ এর মধ্যে হওয়া

৪। ওয়েবসাইটের ইমেজগুলো অপ্টিমাইজ হওয়া ইত্যাদি, ইত্যাদি।

তবে হ্যাঁ, ওয়েবসাইটের অথরিটির ক্ষেত্রে ব্যাকলিংক একই রকম গুরুত্বপূর্ণ। আগে যেকোনো ওয়েবসাইটে ব্যাকলিংক তৈরি করলেই এসইওর অথরিটি বাড়তো। আর এখন শুধুমাত্র রিলেটেড বা একই ধরনের ওয়েবসাইটে লিংক তৈরি করতে হয়। না হলে গুগল লিংক স্প্যাম হিসেবে ওয়েব সাইটটি ফ্ল্যাগ করে দেয়।

ব্যাকলিংক তৈরি করার উপায় তাহলে কি হতে পারে?

যাই হোক, সব কিছুর পরও র‍্যাঙ্কের জন্য ব্যাকলিংক সব ওয়েবসাইটেই দরকার হয়। তাই নিচে ব্যাকলিংক তৈরি করার আটটি উপায় নিয়ে লিখা হলোঃ

১। ফোরামের মাধ্যমে

২। অন্য ব্লগে লিখার মাধ্যমে

৩। ব্লগে কমেন্টের মাধ্যমে।

৪। ইয়াহু বা প্রশ্নোত্তরের ওয়েবসাইটে অংশগ্রহন করে।

৫। সোশ্যাল বুকমার্কের মাধ্যমে।

৬। লোকাল অথবা গ্লোবাল ডাইরেক্টরিতে ওয়েবসাইট সংযুক্ত করার মাধ্যমে।

৭। ব্রোকেন লিংক রিকুয়েস্ট।

৮। লিংক রিক্লেইমের মাধ্যমে

ফোরামের মাধ্যমেঃ

এক সময় ফোরাম পোস্টিং ব্যাকলিংক তৈরির অন্যতম মাধ্যম ছিলো। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এই পদ্ধতিটি কিছুটা জনপ্রিয়তা হারায়। তাছাড়া ফোরামে লেখালেখি করলে ওয়েবসাইটের লিঙ্কটি সিগনেচার হিসেবে থাকে। যা এক পেইজে কয়েকবার পুনরাবৃত্তি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই গুগল এই ধরনের লিংক গুলোকে নো-ফলো হিসেবে রাখতে সাজেস্ট করে থাকে। সুতরাং ফোরাম পোস্টিংয়ের মাধ্যমে ডু-ফলো ব্যাকলিংক পাবার সম্ভাবনা খুবই কম।

তবুও ফোরাম পোস্টিংয়ের নো-ফলো লিংক সাইটের অথোরিটি বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে।

অন্য ব্লগে লেখার মাধ্যমেঃ

অন্য ব্লগে লিখাকে সাধারণত গেস্ট পোস্ট বলে। গেস্ট পোস্ট ন্যাচারাল লিংক বিল্ডিংয়ের সবচেয়ে সহজ উপায়। এজন্য যা করতে হবে তা হচ্ছেঃ আপনার ক্যাটাগরির কিছু ব্লগ খুঁজে বের করুন। এই সব ব্লগের এডিটরের সাথে যোগাযোগ করুন। তাঁদের ট্রেন্ড ও চাহিদা অনুযায়ী একটি লেখা প্রস্তুত করুন। এবং কৌশলে আপনার ওয়েবসাইটের কোনও রিলেটেড পোস্ট লিংক করে দিন। সব ব্লগারই নিজের ব্লগের জন্য ভালো লেখা চায়। তাই আপনার লেখাটি যদি মানসম্পন্ন হয়, তাহলে সে আপনার ব্লগের সাথে ডু-ফলো লিংক তৈরি করতে আপত্তি করবে না।

ব্লগে কমেন্টের মাধ্যমেঃ

ব্লগের কমেণ্ট অপশনের মাধ্যমে লিংক তৈরি একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি। কিন্তু ব্লগে অনেকে স্পাম কমেণ্ট করে থাকে, তাই বেশীর ভাগ ব্লগ এডিটররা কমেণ্টে বিভিন্ন রকম ফিল্টার দিয়ে রাখে ও লিংকগুলো নো-ফলো করে রাখে। এত কিছু সত্ত্বেও কিছু ব্লগ আছে যেগুলো এখনও ডূ-ফলো কমেন্ট সাপোর্ট করে ও ভালো কমেন্টগুলো মঞ্জুর করে থাকে। ব্লগ কমেন্টের ক্ষেত্রেও সাধারনভাবে যে বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখা উচিত তা হচ্ছেঃ কমেন্টটা যেন সুন্দর এবং একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে হয়। কমেন্ট করতে ব্লগে যেই নামে লিখেন সেই নামটিই ব্যবহার করুন। এতে গুগলের কাছে আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি হবে।

ইয়াহু বা প্রশ্নোত্তরের ওয়েব সাইটে অংশ গ্রহন করেঃ

প্রশ্নোত্তরের ওয়েবসাইট গুলো লিংক তৈরির জন্য সোনার খনির মত। ইয়াহু আন্সার (yahoo answers) ছাড়াও প্রশ্নোত্তরের সাইট হিসেবে প্রসিদ্ধ কোরা(Quora), স্টেকওভারফ্লো (stackoverflow), উইকি আনসার(wikianswers) দিয়েও প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে ব্যাকলিংক তৈরি করা যায়। এ ধরণের ওয়েবসাইটে নিজের ক্যাটাগরির বিষয়বস্তু নিয়ে করা প্রশ্ন খুঁজে বের করে তাঁর উত্তর দেওয়া যায় খুব সহজেই। নিচে সোর্স হিসেবে নিজের ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে দেয়া যায়।

সোশ্যাল বুকমার্কের মাধ্যমেঃ

সোশ্যাল বুকমার্কের মাধ্যমে লিংক তৈরির ক্ষেত্রে পিন্টারেস্ট(Pinterest), স্টাম্বলআপন(StumbleUpon), ইউটিউব(Youtube) বহুল ব্যবহৃত। হালের ফেসবুক ভিডিওর মাধ্যমেও অনেকে লিংকবিল্ডিং করে থাকেন। সোশ্যাল বুকমার্কিং হচ্ছে নিজের ওয়েব সাইটে ভিজিটর বাড়ানোর অন্যতম উপায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনি যত জনপ্রিয় হবেন, আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটরের হার তত বেশী হবে।

লোকাল অথবা গ্লোবাল ডাইরেক্টরিতে ওয়েব সাইট সংযুক্ত করার মাধ্যমেঃ

ডাইরেক্টরি লিস্টিং ব্যাকলিংক তৈরির জন্য পুরাতন পদ্ধতি। তবে এ ক্ষেত্রে অবশ্যই মান সম্পন্ন ও ভালোভাবে মেইন্টেইন করা হয় এমন ডাইরেক্টরিই বেছে নেয়া উচিত। লোকাল অথবা গ্লোবাল ডাইরেক্টরিতে লিংক সাবমিট করতে অনেক সময় নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ দিতে হয়। তবে এই ধরণের ওয়েবসাইট গুলো এড়িয়ে চলাই ভালো। তাঁর পরিবর্তে ডিমোয(Dmoz), ইয়াহু(yahoo directory) সহ ভালো ভালো ডাইরেক্টরিতে লিংক সাবমিট করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে ডাইরেক্টরির পেইজ র‍্যাঙ্ক যেন কিছুতেই তিনের নিচে না হয়। ডাইরেক্টরিতে লিংক সাবমিট করার আগে নিজের ওয়েবসাইটটি পুরোপুরি প্রস্তুত করে নেয়া উচিত। তা না হলে লিংক এপ্রুভ না হবার সম্ভাবনাই বেশী থাকে।

ব্রোকেন লিংক রিকুয়েস্টঃ

ব্রোকেন লিংক হচ্ছে ভালো পেইজ র‍্যাঙ্কের ওয়েবসাইটে পুরনো লিংক যেগুলো বহু পূর্বে কোনও ওয়েবসাইটের সাথে লিংক করা হয়েছিলো। কিন্তু বর্তমানে সেই ওয়েবসাইটটি নেই অথবা কোনও কারনে লিংককৃত পেইজটি মুছে ফেলা হয়েছে এমন কিছু লিংক খুঁজে বের করে ওই ওয়েবসাইটের এডিটরকে নতুন লিংক রিকুয়েস্ট পাঠানো। বিষয়বস্তু ঠিক থাকলে হয়তোবা সে আপনার লিংকটি এপ্রুভ করে নিতে পারে।

লিংক রিক্লেইমের মাধ্যমেঃ

অনেক সময় কোনও কোনও ওয়েবসাইট হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় বিভিন্ন কারনে। তবে দেখা যায় ওই ওয়েবসাইটের অনেকগুলো লিঙ্কই হয়তো গুগল ইন্ডেক্সে আছে। তখন ওই ওয়েবসাইটটি কিনে নিয়ে নিজের ওয়েবসাইটে ইউআরএল রিডাইরেক্ট করে দেয়া যেতে পারে। এতে করে ওই ওয়েবসাইটের সার্চ রেজাল্টে কেউ ক্লিক করলে সোজা আপনার ওয়েবসাইটে চলে যাবে। আবার একই ইউআরএলের নতুন কন্টেন্ট তৈরি করে নিজের ওয়েবসাইট লিংক করে দিতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের আইপি এড্রেস থেকে মালিকানা সবই আপনার বর্তমান ওয়েবসাইট থেকে ভিন্ন নামে হতে হবে। এমনকি ওয়েব হোস্টিংও আলাদা হওয়া প্রয়োজন। নাহলে, গুগলের পেঙ্গুইন পেনাল্টিতে পড়ার ঝুঁকি থেকে যায়।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথাঃ

এই হচ্ছে লিংক বিল্ডিং এর সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর কিছু পদ্ধতি, যা একটি ওয়েবসাইটের ট্রাস্ট ও অথোরিটি বাড়াতে সহায়তা করে। তবে সব চেয়ে গুরত্বপূর্ণ হচ্ছে লিংকের মানের দিকে লক্ষ্য রাখা। আমরা যারা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ব্রাউজ করি তাঁরা সাধারণতঃ লেখার ভিতরে কোনও লিংক থাকলে কেবল তাতেই ক্লিক করি। লেখাটি কে লিখেছে সে বিষয়ে খুব মাথা ঘামাই না বা অথোর বায়োতে দেয়া লিংকগুলো খুব প্রয়োজন না হলে দেখি না। তাই ডু-ফলো লিংক তৈরির সবচেয়ে ভালো জায়গা হচ্ছে পোস্টটি। সাধারণত পাঠকেরা একটা লেখার প্রথম ও শেষ অংশটাই বেশী পড়ে থাকে। তাই পোস্টের লিঙ্কটি হতে হবে কৌতূহল জাগানিয়া ও প্রথম ও শেষার্ধে।

কমেন্টের মাধ্যমে লিঙ্ক তৈরি করতে হলেঃ

কমেন্টের মাধ্যমে লিংক তৈরিতে ব্লগে ব্যবহৃত নামটিই সবচেয়ে ভালো। অনেক সময় ব্লগের নাম দিয়ে কমেন্ট করলে এডিটররা তা এপ্রুভ করে না। কমেন্টটি হতে হবে মাঝারি সাইজের ও মজার। অত্যাধিক বড় ও একেবারে ছোট্ট কমেন্ট এপ্রুভ হওয়ার সম্ভাবনা কম।

ডাইরেক্টরির মাধ্যমে লিঙ্ক তৈরি করতে হলেঃ

ডাইরেক্টরি সাবমিটের ক্ষেত্রে যে কোনও ডাইরেক্টরিতেই লিংক সাবমিট করা উচিত নয়। অনেক সময় এ ধরণের লিংকের কারনে গুগুল ওয়েব সাইটটিকে লিংক স্পাম হিসেবে চিহ্নিত করে থাকে। কিছু ডাইরেক্টরি আছে যেগুলোতে একবার লিংক সাবমিট করলে সেই লিংক আর সরানো যায় না। সুতরাং, এই ধরণের ওয়েবসাইট থেকে দূরে থাকাই ভালো।

ব্রোকেন লিঙ্ক রিকুয়েস্ট পাঠাতে হলেঃ

ব্রোকেন লিংক রিকুয়েস্ট পাঠানোর আগে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের এডিটরের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলুন। তা হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে অথবা গেস্ট পোস্টিংয়ের মাধ্যমে। মানুষ তাঁর প্রিয় বিষয় নিয়ে কথা বলতে পছন্দ করে। তাই এ ধরনের রিকুয়েস্ট পাঠানোর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ওয়েবসাইটটি ফলো করুন ও ওয়েবসাইটের পিছনের মানুষটাকে খুঁজে বের করুন। তাঁর কিছু ভালো টুইট রিটুইট করুন, আপনার সাথে কানেক্টেড হলে তাঁকে ধন্যবাদ জানান ও তাঁর আগ্রহের বিষয়ে প্রশ্ন করুন। এভাবে ধীরে ধীরে আপনি তাঁর বিশ্বাসভাজন হয়ে উঠলে কেবল তখনই লিংক রিকুয়েস্ট করতে পারেন। বিনিময়ে সে হয়তো আপনার ওয়েবসাইটেও লিংক রিকুয়েস্ট চাইতে পারে। এমন হলে সানন্দে তাঁর প্রস্তাব গ্রহণ করতে পারেন।

প্রশ্নোত্তর ও সোশ্যাল বুকমার্কঃ

প্রশ্নোত্তরের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো উত্তরটি দেয়ার চেষ্টা করুন। তবে তা যেন নিজের বিষয়বস্তু থেকে বাইরে না যায়।

সোশ্যাল বুকমার্কের ক্ষেত্রে ইউটিউব সবচেয়ে জনপ্রিয়, এরপরই আছে ফেসবুক ভিডিও। তবে ভিডিওর ক্ষেত্রে সবসময় নিজের সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করাই ভালো। ভিডিওটি যেন কিছুতেই ৩ থেকে ১০ মিনিটের বেশী না হয়। মানুষ এখন ব্যস্ত। তাই বড় ভিডিও দেখার সময় তাঁদের থাকে না বললেই চলে। তবে আশার কথা হচ্ছে ফেসবুকে কোনও ভিডিও ভাইরাল হলে তা অনেক মানুষের কাছে গিয়ে পৌঁছে। ইউটিউবে ফলোয়ার বাড়াতে জনপ্রিয় চ্যানেলগুলো সাবস্ক্রাইব করে নিয়মিত কমেন্ট করে যেতে হবে।

গুগল প্লাসে বুকমার্ক করতে কখনই কোনও ফেইক পদ্ধতিতে প্লাসওয়ান দেয়া যাবে না। ভয়ের কথা হচ্ছে, গুগল এখন অটোজেনারেটেড সোশ্যাল সিগন্যাল শনাক্ত করতে পারে।

শেষ কথাঃ

অফ সাইট এসইও বা লিংক তৈরির পদ্ধতি এখন পুরোপুরিই বদলে গেছে। আপনার কয়টি ব্যাকলিংক আছে তা না দেখে গুগল এখন দেখবে কি ধরণের ওয়েবসাইটে আপনার লিংক আছে এবং ওই পেইজটি কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ। তাই ব্যাকলিংক তৈরির ক্ষেত্রে সবার আগে এই বিষয়টিই মাথায় রাখুন। তাছাড়া এখন কনটেন্ট মানসম্পন্ন হলে র‍্যাঙ্কে আসার জন্য ব্যাকলিঙ্ক অতটা গুরুত্বপূর্ণও নয়। তাই উপরে দেয়া ব্যাকলিংক তৈরি করার উপায় গুলো অনুসরণ করলে ভালো ফলাফল পাবেন। ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করার পর তা চেক করতে গুগল সার্চ কনসোল ও বিং সার্চ কনসোল ব্যবহার করতে পারেন।

ব্যাকলিংক তৈরি করার উপায় গুলো ত জানলেন। তারপরও কঠিন মনে হলে ওয়েবসাইটের জন্য অনপেইজ ও অফপেইজ এসইও করাতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আমরা আপনার ওয়েবসাইটকে সুনির্দিষ্ট কীওয়ার্ড অনুযায়ী সার্চ ইঞ্জিনের উপরে প্রদর্শন করতে সাহায্য করবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.